১৩ মার্চ, ২০১৩,
মেধাবৃত্তি
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২, ৬ ও ৭ মার্চ প্রথম আলো পত্রিকার চিঠিপত্র কলামে ‘মেধাবৃত্তি’ বিষয়ে প্রকাশিত লেখাগুলো আমার মনে লেগেছে।যেহেতু এ বিষয়ে আমিও একজন ভুক্তভোগী, সেহেতু মনের মাঝে জমে আছে তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ। শুনেছি, বর্তমান সরকার আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় নিয়ে এসেছে। আবার এও শুনেছি, বর্তমান সরকার জনগণের জন্য তথ্য অধিকার আইনও পাস করেছে। তাহলে আমরা ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় কোন বিষয়ে কত নম্বর পেয়েছি, সেটা জানার অধিকার নিশ্চয়ই আমাদের আছে। জেএসসি ২০১২ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরপরই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ‘সাবজেক্ট-ওয়াইজ গ্রেড/মার্কশিট’ নামে যে তালিকা পেয়েছি, সেটা তো আসলে একটা ‘গ্রেডশিট’, এটাকে কোনোমতেই মার্কশিট বলা ঠিক হবে না। কারণ, এতে কেবল প্রতি বিষয়ের গ্রেড উল্লেখ আছে, নম্বর উল্লেখ করা হয়নি। আমরা জানি, প্রতি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে গ্রেডশিট তৈরি করা হয়। তাহলে ডিজিটাল পদ্ধতির এই ফলাফলে প্রতি বিষয়ের উল্লিখিত গ্রেডের পাশাপাশি প্রাপ্ত নম্বর উল্লেখ করতে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আশা করি, দেশের সব মেধাবী ছাত্রছাত্রী আমার সঙ্গে একমত হবে। তাই আমি প্রতি বিষয়ের গ্রেডের পাশাপাশি প্রাপ্ত নম্বর উল্লেখ করে সাবজেক্ট-ওয়াইজ গ্রেড বা মার্কশিট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীতভাবে আবেদন করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ, মিরপুর, ঢাকা।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর এদেশীয় দোসর মানবতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের দল সারা দেশ প্রকম্পিত করে তুলেছে। তাদের দাবি, সব রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের অনতিবিলম্বে বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা দেখেছি, দেশের প্রধান দুটি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে রাজনীতি করেছে। তবে চোখে পড়ার মতো রাজনীতি করেছে বিএনপি।
জামায়াতকে নিয়ে আগে যে যা-ই করুক, সেসব কর্মকাণ্ড ভুলে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করা উচিত। এই প্রজন্মের দাবি—বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে যাওয়া, সব মানবতাবিরোধীর বিচার এবং জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা।
অতএব আপামর জনগণের দাবি, দেশের প্রধান দুটি দল যেন জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে নির্বাচনী আঁতাত না করে সম্পূর্ণ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
মাহতাব আলী
মিরপুর, ঢাকা।
এ কেমন বিবেচনা
সারা দেশের বর্তমান অবস্থা এমনই নাজুক যে, তা বিশ্লেষণ করা খুবই মুশকিল আর তেমনি একটা অবস্থা বিরাজ করছে বর্তমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মনে। লক্ষণীয়, এর অধীনে অনার্সসহ মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করতে সাত-আট বছর লেগে যায় একজন শিক্ষার্থীর। যার সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে সেশনজট কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যা ব্যর্থ চেষ্টারই নামান্তর। কারণ, যারা প্রথম বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষা শেষ করে দ্বিতীয় বর্ষে উঠেছে, তাদের ফলাফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অথচ আবার যারা প্রথম বর্ষে এসেছে, তাদের ফরম র্িফলাপ শুরু হয়েছে ৩ মার্চ, চলবে ১৪ মার্চ ২০১৩ পর্যন্ত।
আমার প্রশ্ন হলো, ফলাফলের উন্নতি করা অথবা অকৃতকার্য থাকলে কৃতকার্য কীভাবে সম্ভব। যদি আমরা প্রথম বর্ষের সঙ্গে ফরম ফিলাপ করতে না পারি, জীবন থেকে আরও এক বছর ধরাশায়ী হবে।
এ ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিন—তা অনতিবিলম্বে ফলাফল প্রকাশের কিংবা আলাদা করে ফরম ফিলাপের সময় দেওয়ার মাধ্যমেই হোক।
দুর্জয় মাহমুদ
সরকারি আ. হ. কলেজ, বগুড়া।






