জামায়াত-বিএনপির নিহত কর্মীদের গায়েবানা জানাজা

0
345
Print Friendly, PDF & Email

নয়াপল্টন থেকে: জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর থেকে সারা দেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে নিহত হওয়া জামায়াত-বিএনপি কর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় গায়েবানা জানাজা পড়লো ১৮ দলীয় জোট।

শনিবার আসরের নামাজের পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  

জানাজা পড়ান ওলামা দলের মওলানা নেসারুল হক।

জানাজা শুরুর আগে ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা বলেন, “সরকার সারাদেশে গণহত্যা, প্রকাশ্যে গুলি চালাচ্ছে। বিএনপি এসবের বিরুদ্ধে শুধু নিন্দাই জানাবে না, কার্যকর প্রতিরোধও গড়ে তুলবে।”

“স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ১৮ দলের চলমান আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে আরো ইস্পাত কঠিন ঔক্য গড়ে তোলা হবে” মন্তব্য করে খোকা বলেন, “সারা দেশে বর্বরভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে যেভাবে মানুষ হত্যা করা হয়েছে তাকে গণহত্যা বলা হচ্ছে। এরপরও কেউ গণহত্যা চালালে তার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”

জানাযায় অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল নোমান, সাদেক হোসেন খোকা, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক এমএ মান্নান, এনাম আহমেদ চৌধুরী, অ্যডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য গোলাম মোস্তফা, আফম আলাউদ্দিন, শিবিরে সাহিত্য সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, লেবার পার্টি চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নীলু প্রমুখ।

এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কাকরাইল নাইটেঙ্গল মোড় ও ফকিরাপুল মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। বিএনপি ও এর আশপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক ৠাব ও পুলিশ।

জানাজা পূর্ব সমাবেশ থেকে রোববার নয়াপল্টনে অনুষ্ঠেয় ছাত্রদলের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহবান জানানো হয়।

মার্চ ৯, ২০১৩

শেয়ার করুন