ডেস্ক রিপোর্ট:বিএনপিরবিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের সাথে কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতেদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও পথচারী সহ আহত হয়েছেন অনেকেই।জামায়াতশিবিরের নাশকতার আশঙ্কায় দুপুর থেকেই পুলিশ পল্টন থেকে বিজয়নগর মোড়পর্যন্ত রাস্তা ঘেড়াও করে অবস্থান নিয়েছিল। পৌনে চারটায় বিজয়নগর মোড়েজামায়াতে ইসলামির ব্যানারে ৭/৮ জনের একটি মিছিল বের হলে পুলিশ সেখানে ফাঁকাগুলি ছোড়ে। এ সময় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং মিছিলকারীরা নয়াপল্টনবিএনপি কার্যালয়ের দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশও তাদের উদ্দেশ্যেফাঁকা গুলি করতে করতে সেদিকে অগ্রসর হয়। এ সময় পুলিশ এক জনকে গ্রেফতার করে।
এসময় বিএনপি কার্যালয়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিএনপির বিক্ষোভকর্মসূচি চলছিল। বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকেও নেতৃবৃন্দ পুলিশের দিকে ইটপাটকেলছুড়তে শুরু করে। ফলে বিএনপি কর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময়পুলিশ ব্যাপক গুলিবর্ষণ শুরু করে এবং টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গকরে দেয়।
এ ঘটনায় বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যএম কে আনোয়ার, নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান সহ কয়েকজনকেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আহত হয়েছেন।এ ছাড়াও বাংলানিউজ২৪.কমের ফটোসাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন বাদল, দৈনিক ইত্তেফাকের সাইফুল ইসলাম, নয়াদিগন্তেরনুর হোসেন সহ ৪জন সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন।এ সময় বিএনপির যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী তার তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় টাইমসওয়ার্ল্ডকেজানান, শান্তিপূর্ন সমাবেশে বাঁধা দিতেই এ ধরণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।এবিষয়ে এডিসি মেহেদী হাসান টাইমসওয়ার্ল্ডকে জানিয়েছেন আমাদের কাছে সকালথেকেই তথ্য ছিল যে জামায়াতের কর্মীরা আশেপাশের এলাকায় নাশকতা চালাতে পারে।তাই আমরা সতর্ক অবস্থানে ছিলাম। এ সময় বিজয় নগর মোড়ে তারা একটি মিছিল বেরকরলে সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
তিনি আরো বলেন এ ঘটনায় পুলিশ কত রাউন্ড গুলি করেছে এবং কত জনকে গ্রেফতার করেছে তা এখনো নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি আয়ত্বে চলে আসলে ৩টি এম্বুল্যান্স ও মাই টিভির গাড়িতে করে আহতদের চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আছে।
৬ মার্চ/নিউজরুম







