ঢাকা: রাজধানীর মালিবাগ, মগবাজার, মৌচাক, কাকরাইল, সাতরাস্তার মোড় এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের কর্মীদের তাণ্ডবে এসব এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভাংচুর ও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে কয়েকটি গাড়ি।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা অতর্কিতে মালিবাগের কর্ণফুলী টুইনটাওয়ার, মৌচাক এবং শান্তিবাগ এলাকায় ভাংচুর শুরু করলে আতঙ্কিত লোকজন দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন।
এলোপাথাড়ি যানবাহন ভাঙচুরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারীরা ভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রাজারবাগ পুলিশ লাইনের দিকে দৌড়াতে থাকেন।
এসময় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরসহ ৩টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ভিকারুন্নিসা স্কুলের সামনে একটি প্রাইভেট কারে আগুন ধরিয়ে দেয় শিবির কর্মীরা। এখানে পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
এদিকে, একই সময়ে নয়াপল্টনে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল চলছে। মিছিলে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত এসআই জাহাঙ্গীর জানান, মালিবাগ পার হওয়ার সময় মিছিলের পেছনের অংশ হঠাৎ করে মালিবাগ পুলিশ বক্সের ওপরে হামলা চালায়। এরপর পুলিশ অ্যাকশনে যায়।
এ সময় মেরী নামে এক পথচারী আহত হন। তাকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়েছে।
মালিবাগ বাটাবাজারের সামনে একটি প্রাইভেট কার জ্বালিয়ে দেয় শিবির কর্মীরা। এছাড়া টুইন টাওয়ার ও মালিবাগ মোড়ে আরো দু’টি প্রাইভেট কারে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০/৩০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। এদিকে, এসব ঘটনার পর রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
মার্চ ০২, ২০১৩







