সুন্দরগঞ্জে শিবির সহিংসতায় আরেক পুলিশের মৃত্যু

0
192
Print Friendly, PDF & Email

গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জামায়াত-শিবিরের সহিংসতায় গুরুতর আহত তোজাম্মেল আলী নামে আরও এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ পুলিশসহ ৭ জনে।

এদিকে,জামায়াত-শিবিরকর্মীরা সুন্দরগঞ্জ থানা ও বামনডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ফলে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জামায়াত-শিবির নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার সকালে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার একেএম নাহিদুল ইসলাম পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৭ জন নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

নিহত অপর পুলিশ সদস্যরা হলেন- বাবলু (২৮), নাজিম (৩০), হযরত (৩৫)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর জামায়াত-শিবির কর্মীরা সংগঠিত হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোটা সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তাণ্ডব শুরু করে। তারা সুন্দরগঞ্জ থানা ঘেরাও করে থানায় হামলার চেষ্টা চালায়। পুলিশ প্রথমে ফাঁকা গুলি করে তাদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু জামায়াত-শিবির কর্মীরা থানায় হামলা চালালে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এ সময় জামায়াত-শিবিরের ৩ কর্মী নিহত হন। তাদের নাম পাওয়া যায়নি।

এদিকে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা রেলস্টেশন, রেলের প্রকৌশলীর অফিস ও গোডাউনে আগুন লাগিয়ে দেয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা।

তারা রেল লাইন উপড়ে ফেলে স্লিপারে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়িন্ত্রণে পরিস্থিতি নিয়িন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। লাইন উপড়ে ফেলার কারণে লালমনিরহাট ও রংপুর থেকে সান্তাহার এবং ঢাকাগামী সকল ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় হামলাকারীদের হামলায় বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কনস্টেবল বাবলু মিয়া ও জিআরপি পুলিশের কনস্টেবল নাজিম উদ্দীন নিহত হন। আহত হন আরও ৫ পুলিশ সদস্য। তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
 মার্চ ০১, ২০১৩

শেয়ার করুন