কৃষি ডেস্ক: বোরো চাষের ভরা মওসুমেও চারার সঙ্কটে পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকেরা।শৈত্যপ্রবাহে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় এবার খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।শীত এবার কাঁপিয়েছে পুরো বাংলাদেশকে। উত্তরাঞ্চলে এর প্রকোপ আরো বেশি থাকায় ঠাকুরগাঁওয়ে জানুয়ারি মাসে টানা চার দফা শৈত্যপ্রবাহে নষ্ট হয়েছে বীজতলা। ফলে বোরো চাষের জন্য জমি তৈরি করা হলেও চারা জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন চাষিরা। আর চারার জন্য অনেক ঘুরেও না পেয়ে নষ্ট বীজতলায় নতুন করে বপন করছেন তারা। এখন আবারো বীজ জন্মানোর অপাের প্রহর। তাই এবার বোরো ধান উৎপাদনে বেশি খরচ হবে কৃষকদের। এর সাথে ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা তো আছেই।
সদর উপজেলার নারগুন গ্রামের কৃষক আবদুল, আলী হোসেন, সালন্দর গ্রামের এরশাদ আলী, আলম ও আলী বলেন, এবার শীতে ব্যাপক কুয়াশার কারণে বীজতলার যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। এ নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তÍায় আছি। আবার নতুন করে বীজতলা তৈরি করছি। যেন অপোের শেষ নেই। তার পরেও কাক্সিক্ষত ফলন মিলবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।সদর উপজেলার ভুল্লী বাজারে উঠছে বোরোর চারা।সেখানে প্রতি ১০০ চারার আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা। বার জেলায় বোরো চাষের ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬১ হাজার হেক্টর জমিতে। এ থেকে ধান উৎপাদন হবে দুই লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও ল্যমাত্রা অর্জনে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না।ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক বেলায়েত হোসেন জানান, তীব্র শীতে ঘন কুয়াশায় ৫০ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়েছে।তাতে আবাদের ল্যমাত্রায় তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। এতে তিগ্রস্ত কৃষকের উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকদের উপকরণসঙ্কট সমাধানে সরকার এগিয়ে এলে দেশের খাদ্য উৎপাদনে কোনো প্রভাব পড়বে না, আর কৃষকদের গুনতে হবে না অতিরিক্ত অর্থ ও বাড়তি খরচ হবে না বলে মনে করছেন ুরে সার্জিক্যাল সামগ্রী তৈরির কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেই। বিয়ষটির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা: গোলাম মোস্তফা জানান, অনুমোদনহীন সার্জিক্যাল সামগ্রী ব্যবহার কোনোভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। অনুমোদনহীন সার্জিক্যাল সামগ্রী ব্যবহারে রোগী এবং মহিলারা ইনফেকশনের শিকার হচ্ছেন। এ ধরনের রোগী ভর্তির সংখ্যাও হাসপাতালে বাড়ছে। এ ব্যাপারে এখনই উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।
২৮ ফেব্রুয়ারী/নিউজরুম






