চারার সঙ্কটে পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকেরা

0
592
Print Friendly, PDF & Email

কৃষি ডেস্ক: বোরো চাষের ভরা মওসুমেও চারার সঙ্কটে পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকেরাশৈত্যপ্রবাহে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় এবার খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারাশীত এবার কাঁপিয়েছে পুরো বাংলাদেশকেউত্তরাঞ্চলে এর প্রকোপ আরো বেশি থাকায় ঠাকুরগাঁওয়ে জানুয়ারি মাসে টানা চার দফা শৈত্যপ্রবাহে নষ্ট হয়েছে বীজতলাফলে বোরো চাষের জন্য জমি তৈরি করা হলেও চারা জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন চাষিরাআর চারার জন্য অনেক ঘুরেও না পেয়ে নষ্ট বীজতলায় নতুন করে বপন করছেন তারাএখন আবারো বীজ জন্মানোর অপাের প্রহরতাই এবার বোরো ধান উপাদনে বেশি খরচ হবে কৃষকদেরএর সাথে ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা তো আছেই

 

সদর উপজেলার নারগুন গ্রামের কৃষক আবদুল, আলী হোসেন, সালন্দর গ্রামের এরশাদ আলী, আলম ও আলী বলেন, এবার শীতে ব্যাপক কুয়াশার কারণে বীজতলার যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়এ নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তÍায় আছিআবার নতুন করে বীজতলা তৈরি করছিযেন অপোের শেষ নেইতার পরেও কাক্সিক্ষত ফলন মিলবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছিসদর উপজেলার ভুল্লী বাজারে উঠছে বোরোর চারাসেখানে প্রতি ১০০ চারার আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকাবার জেলায় বোরো চাষের ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬১ হাজার হেক্টর জমিতেএ থেকে ধান পাদন হবে দুই লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টনকৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, পাদন খরচ বেড়ে গেলেও ল্যমাত্রা অর্জনে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে নাঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক বেলায়েত হোসেন জানান, তীব্র শীতে ঘন কুয়াশায় ৫০ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়েছেতাতে আবাদের ল্যমাত্রায় তেমন কোনো প্রভাব পড়বে নাএতে তিগ্রস্ত কৃষকের পাদন খরচ কিছুটা বাড়তে পারেপ্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকদের উপকরণসঙ্কট সমাধানে সরকার এগিয়ে এলে দেশের খাদ্য উপাদনে কোনো প্রভাব পড়বে না, আর কৃষকদের গুনতে হবে না অতিরিক্ত অর্থ ও বাড়তি খরচ হবে না বলে মনে করছেন ুরে সার্জিক্যাল সামগ্রী তৈরির কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেইবিয়ষটির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবেরংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা: গোলাম মোস্তফা জানান, অনুমোদনহীন সার্জিক্যাল সামগ্রী ব্যবহার কোনোভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়অনুমোদনহীন সার্জিক্যাল সামগ্রী ব্যবহারে রোগী এবং মহিলারা ইনফেকশনের শিকার হচ্ছেনএ ধরনের রোগী ভর্তির সংখ্যাও হাসপাতালে বাড়ছেএ ব্যাপারে এখনই উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন

 

 

 

২৮ ফেব্রুয়ারী/নিউজরুম

 

শেয়ার করুন