শিক্ষা ডেস্ক: প্রজননের সময় আরও ছয় মাস বাকি থাকতেই আড়াইহাজার উপজেলাজুড়ে বেড়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব। সপ্তাহান্তে কুকুরের কামড়ের ঘটনা ঘটছে অন্ততপক্ষে ১০-১২টি। গত সপ্তাহে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের প্রভাকরদী গ্রামে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে ৩-৪ জন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থী। ১০-১৫টি পাগলা কুকুর প্রভাকরদী গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করেছে। তার বাবা আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করলে সেখান থেকে বলে দেয়া হয় ভ্যাকসিন নেই।তিনি পরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে ছেলের চিকিত্সা করান। এর আগে একই এলাকার তিন বছরের একটি শিশু আক্রান্ত হয়।কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হাসিবের বাবা সিনিয়র সাংবাদিক ওমর ফারুক জানান, আড়াইহাজারে কুকুরে কামড়ানো রোগীর ভ্যাকসিন পাওয়া যায় না। নারায়ণগঞ্জে গিয়ে আমাকে ভ্যাকসিন আনতে হয়েছে। অনেক টাকা খরচ হয়েছে। গ্রামের গরিব ও অসহায় মানুষের পক্ষে শহরে গিয়ে চিকিত্সা করানো মুশকিল। গত বছর কুকুরের কামড়ে প্রভাকরদী গ্রামে একটি শিশু মারা গেছে। ১০-১৫টি কুকুর চষে বেড়াচ্ছে পুরো গ্রাম। ১০টি কুকুর মারার মতো একজন সমাজসেবক পাওয়া গেল না। অথচ নির্বাচন এলে অনেক জনদরদি নেতার আভির্ভাব ঘটে। এ ব্যাপারে আলাপকালে গত বুধবার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ বি এম জাহাঙ্গীর রতন জানান, কুকর নিধনের একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। বিষয়টি আমরা তদারকি করলেও এর ব্যয়ভার বহন করে উপজেলা পরিষদ। বাজেট বরাদ্দ পাওয়া গেলে বছরের নির্দিষ্ট সময় অর্থাত্ ভাদ্র মাস থেকে কুকুর নিধন অভিযান চলবে।
অভিযান চলাকালে আমাদের অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। কুকুর মারার জন্য কিলার গ্রুপ ভাড়া করে আনতে হয় ঢাকা থেকে। সাধারণত ভাদ্র মাসে কুকুরের প্রজননের সময় নিধন অভিযান চলে।
এদিকে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের প্রভাকরদী গ্রামের ভুক্তভোগী লোকজন পাগলা কুকুরগুলো দ্রুত নিধনের দাবি জানিয়েছেন।
২৩ ফেব্রুয়ারী/নিউজরুম









