শিক্ষা ডেস্ক(২১ ফেব্রুয়ারী): লাখাই উপজেলার বামৈ গ্রামের মারুগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আসবাবপত্র শিক্ষক সঙ্কট ও ভবনের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা চটে বসে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করছে। পুরো উপজেলার মধ্যে একমাত্র পরীক্ষায় ভালো ফলাফল ও শতভাগ অর্জনকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রথমে মরহুম চান মিয়া মুন্সীর বাড়িতে বিদ্যালয়টির জন্য ০.০২ শতক জায়গা দান করেন এবং সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হরমুজ আলীর প্রচেষ্টায় একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে মারুগাছ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার কার্যক্রম শুরু করেন। এখানে বেশ কয়েক বছর বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চলে এবং বর্তমানে যে জায়গার ওপর বিদ্যালয়টি অবস্থিত সেই জায়গাটি ১৯৭১ সালে মরহুম চান মিয়ার চাচাত বাই মরহুম কারী আ. আহাদ ০.২১ শতক জমি দান করেন। সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হরমুজ আলী ও তখনকার প্রধান শিক্ষক খালিকুজ্জামানের প্রচেষ্টায় ১৯৭৩ সালে সরকারিকরণ করা হয় ও ১৯৮৪ সালে সরকারি অনুদানে ২ কক্ষ একটি আধাপাকা ভবন নির্মাণ করা হয়।পরে সরকারি অর্থে ১৯৯৪ সালে তিন কক্ষবিশিষ্ট আরও ভবন নির্মাণ করা হয়।প্রধান শিক্ষকসহ মোট আটজন শিক্ষক কর্মরত আছেন। বর্তমানে স্কুলে প্রায় ১০৫৪ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। প্রয়োজনীয় ভবন ও আসবাবপত্র না থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চটে বসে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করছে। শিক্ষার মান ভালো হওয়ায় পুরো উপজেলার মধ্যে ওই স্কুলে ছাত্রছাত্রী বেশি। বৃষ্টি মৌসুমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে মারাত্মক কষ্ট ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
নিউজরুম










