শাহবাগের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে ভারতের ত্রিপুরাবাসী

0
153
Print Friendly, PDF & Email

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ঢাকার শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের গণজাগরণের সঙ্গে এবার সংহতি প্রকাশ করেছে ভারতের ত্রিপুরাবাসী।

বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া-আগরতলা সীমান্তের শূন্য রেখায় (নো-ম্যান্স ল্যান্ড) দু’দেশের উদ্যোগে সংহতি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
 
বাংলাদেশের পক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবৃত্তি সংসদ, আখাউড়ার স্বাধীনতা প্রজন্ম মঞ্চ, প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ত্রিপুরার পক্ষে ওই রাজ্যের দৈনিক আজকের ফরিয়াদ ও প্রাইম ফোকাস সম্মিলিতভাবে এ সংহতি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোমবাতি জ্বালিয়ে গণসংহতি অনুষ্ঠান শুরু হয়। গান, কবিতা ও ছবিতে শাহবাগ গণজাগরণের প্রতি সংহতি জানাতে দুই পাড়ের লোকজন মিলিত হয়েছে। এতে আখাউড়া-আগরতলা সীমান্তের শূন্য রেখায় যেন তৈরি হয়েছে আরেক শাহবাগ।

দুই দেশের হাজার খানেক মানুষ এতে অংশ নিয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংস্কৃতি কর্মী মনির হোসেন ও ত্রিপুরার সংস্কৃতি কর্মী শুভ্রজিৎ ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় নো-ম্যান্স ল্যান্ডে স্থাপিত অস্থায়ী মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করছেন বিশিষ্ট শিল্পী শিবপ্রসাদ ধর, রুমা চক্রবর্তী, অর্পণা চৌধুরীসহ ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক সংগঠন সুরঝরণা, রবি অনুরাগ, রবিসুধা, বিশ্ববীণার শিল্পীরা। এছাড়া এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হৃদয় কামাল, শায়লা হাইসহ অনেকেই সংগীত পরিবেশন করছেন।

কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে সংহতি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবৃত্তি সংসদের সদস্যরা, বাচিক শিল্পী মনির হোসেন, ত্রিপুরার সাহিত্য সংগঠন কাব্যলোক, কবিতালোক, দক্ষিণীর শিল্পীরা, বাচিক শিল্পী সুমন ভট্টাচার্য ও অশোক দেব। ছবি একে সংহতি জানিয়েছেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী স্বপন নন্দী।
 
অনুষ্ঠান আয়োজকদের অন্যতম তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের পরিচালক মো. মনির হোসেন ও ত্রিপুরার সংস্কৃতি কর্মী শুভ্রজিত ভট্টাচার্য জানান, বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষেও নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ত্রিপুরার তথ্য ও সংস্কৃতি অধিদপ্তরের উদ্যোগে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩

শেয়ার করুন