কৃষি ডেস্ক(১৯ ফেব্রুয়ারী): কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভান্ডার হিসাবে ব্যাপক পরিচিত। উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৩টি মৌসুমে কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে থাকেন। বিশেষ করে আউশ,আমন,ও বোরো। গত বছর আউশ ও আমন ফসল বাম্পার ফলন হলেও ধানের মূল্য কম থাকায় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।তবে এ সুযোগ গ্রহন করেছে সাধারন দিনমজুর। কম দামে ধান ও চাল ক্রয় করতে পেরেছে। চলতি মৌসুমেপানি স্বল্পতায় আশানারূপ বোরো ফসল না হবার আশঙ্খায় বোরো চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর থেকে জানা যায় চলতি মৌসুমে উপজেলায বোরো চাষের লক্ষমাত্রা ৪হাজার ২৩৩হেক্টর ও উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ১৬হাজার ৩২৪হেক্টর মেঃটন। তার মধ্যে রহিমপুর ইউনিয়নে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩১৯ হেক্টর ,উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ১২২৯মেঃটন। পতনউষারে লক্ষমাত্রা ৫৮৫ হেক্টর , উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২২৪৯ মেঃটন।মুন্সিবাজারে লক্ষমাত্রা ৪৫২ হেক্টর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ১৭৩৫মেঃটন। শমসের নগরে লক্ষমাত্রা ৩০৫ হেক্টর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ১১৮৬ মেঃটন। কমলগঞ্জে লক্ষমাত্রা ৬০০ হেক্টর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ২২৯৯ মেঃটন। কমলগঞ্জ পৌরসভায় লক্ষমাত্রা ২৫০ হেক্টর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৯৭২ মেঃটন।আলী নগরে লক্ষমাত্রা ৩৮৫ হেক্টর উৎপাদন ১৪৯৬ মেঃটন। আদমপুরে লক্ষমাত্রা ৪২১ হেক্টর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ১৬৩৫ মেঃটন ।মাধবপুরে লক্ষমাত্রা ৫০৩ হেক্টর উৎপাদন ১৯২৫ মেঃটন। এবং ইসলামপুর ইউনিয়নের বোরো চাষের লক্ষমাত্রা ৪১৩ হেক্টর ও উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ১৫৯৮ মেঃটন ধরা হয়েছে। এ পর্যন্ত মাএ আবাদ হয়েছে ৫০০ হেক্টর। তারমধ্যে রহিমপুর ইউনিয়নে ৬০ হেক্টর, পতনউষারে ৮৬,মুন্সিবাজারে ৪১,শমসের নগরে ৩৭,কমলগঞ্জে ২৩, পৌরসভায় ৩১, আলীনগরে ৩৭,আদমপুরে ৩৫,মাধবপুরে ৩৮,ও ইসলামপুর ইউনিয়নের ১১২ হেক্টর বোরো চাষ আবাদ হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভান্ডার হিসাবে খ্যাত থাকলেও কৃষকরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিদা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। চলতি মৌসুমে বোরো চাষের জন্য সেল পাম্প চাহিদা থাকলেও নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।কৃষকরা জানান ধলাই ও লাঘাটা নদীতে সুইচ গেইট নির্মান করা হলে পানি স্বল্পতা কিছুটা হলেও দূর হবে। কৃষকরা বোরো চাষে আগ্রহী হবে। অনেক গ্রামে কৃষক বোরো চাষ করতে আগ্রহী কিন্তু পানির সুযোগ সুবিদা না থাকার ফলে বোরো চাষে আগ্রহী হচ্ছেন না।পানির সুবিদা না থাকার ফলে বোরো চাষ থেকে সুবিদা বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা।
নিউজরুম






