ফুলচাষিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন

0
307
Print Friendly, PDF & Email

কৃষি ডেস্ক(১৪ ফেব্রুয়ারী): ভালোবাসা দিবস ও অমর একুশে সামনে করে ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালীর ফুলচাষিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেনচাহিদা অনুযায়ী ফুল সরবরাহ করতে গিয়ে তারা এখন দম ফেলার সময় পাচ্ছেন না দুর্দিনে এখানে ১০ কোটিরও বেশি টাকা মূল্যের ফুল বিক্রি হবে যা আগের চেয়ে অনেক বেশি

 

গদখালী ফুলচাষি ও ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর ভালোবাসা দিবস, একুশে, পয়লা বৈশাখ এসব দিনে সারা দেশে ফুলের চাহিদার ৭০ শতাংশ এখান থেকে সরবরাহ করা হয়এবারো তার ব্যতিক্রম হবে নাইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা গদখালী ফুলবাজারে এসে ফুলের আগাম অর্ডার দেয়া শুরু করেছেনফুলচাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, এবার জারবেরা ফুলের চাহিদা বেশিএ জাতের একটি ফুলের দাম পড়বে ১৫ থেকে ২০ টাকাএর পরের চাহিদা গাঁদা ফুলেরএক হাজার গাঁদার দাম পড়বে ২০০ টাকাগ্লাডিওলাসের প্রতিটির দাম পড়বে পাঁচ থেকে ১৫ টাকারঙভেদে এর দাম কম বেশি হয়গোলাপ প্রতিটি পাঁচ-ছয় টাকা  এবং ৫০০ স্টিক রজনীগন্ধা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা

 

গদখালী ফুলচাষি ও ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুর রহিম জানান, বছরে এখানে ৭০ কোটি টাকার মতো ফুল পাদিত হয়ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে তার দাম দাঁড়ায় ১০০ কোটি টাকাবাণিজ্যিক ভিত্তিতে উপাদিত ফুল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেফুলচাষে এলাকার  আর্থসামাজিক অবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছেএলাকায় এখন হতদরিদ্র কৃষক নেই বললেই চলেবর্তমানে গদখালীকেন্দ্রিক ৭৫টি গ্রামের পাঁচ হাজার চাষিসহ পাঁচ লাখ মানুষ ফুল উপাদন ও বিপণনের সাথে যুক্ত১৯৮৩ সালে এখানকার পানিসারা গ্রামের শের আলী সরদার মাত্র ৩০ শতক জমিতে রজনীগন্ধা   চাষের মাধ্যমে যে ফুল চাষ শুরু করেন তা গত ২৮ বছরে বিস্তৃত হয়ে ২০টি জেলার ১০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে চাষ হচ্ছেএখন ২০ লাখের বেশি মানুষ ফুল পাদন ও এর ব্যবসার সাথে জড়িত

 

 

 

নিউজরুম

 

শেয়ার করুন