মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা

0
73
Print Friendly, PDF & Email

রুপশী বাংলা ডেস্ক(৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩): মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার বাসিন্দারা পানি ও বিদ্যুতসেবা নিলেও পৌর কর্তৃপক্ষ তাঁদের কাছ থেকে বার্ষিক কর আদায় করছে নাএতে প্রতিবছর মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা
মিরকাদিম পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে এই পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়২০০৩ সাল পর্যন্ত এটিতে নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না২০০৪ সালে প্রথম নির্বাচিত পৌর পরিষদ গঠিত হয়২০১১ সালে দ্বিতীয় পরিষদ গঠন করা হয়
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আট বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা পৌরসভা চালালেও পানি ও বিদ্যুতের বাসরিক কর আদায়ে কোনো ভূমিকা রাখেননি
পৌরসভার পানি ও বিদ্যু শাখা সূত্র জানায়, পৌরসভা তিনটি গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করছেএখানে বর্তমানে পানির গ্রাহক ৫৭৮ জনএঁরা মাসিক পানির বিল পরিশোধ করেন, কিন্তু পানির বাসরিক কর নেয় না পৌর কর্তৃপক্ষসড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটিতে আলোর ব্যবস্থা থাকলেও এর জন্য জনগণকে কর দিতে হয় নাপৌরসভা তার আয়ের অন্য খাত থেকে পল্লী বিদ্যুকে এই টাকা পরিশোধ করেতিনটি গভীর নলকূপের জন্য পৌরসভাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৪০ হাজার টাকা এবং সড়কের বাতির জন্য আরও ২৫ হাজার টাকার বিল স্থানীয় পল্লী বিদ্যু সমিতিকে পরিশোধ করতে হচ্ছে
পৌরসভা সূত্র জানায়, পৌরসভায় মোট সাত হাজার ২৫৫টি পরিবার রয়েছেবাড়ির (হোল্ডিং) সংখ্যা ছয় হাজার ৪৫টিপৌরকর আদায়ের নিয়ম অনুসারে, প্রতিবছর গৃহবাবদ বাসরিক করের সঙ্গে পানির জন্য সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং বিদ্যুতের জন্য ৩ শতাংশ কর আদায় করার কথাকিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ গৃহবাবদ কর আদায় করলেও পানি ও বিদ্যুতের কর আদায় করছে নাএ কারণে পৌরসভা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে
পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা বলেন, ‘পানি ও বিদ্যুতের জন্য বাসরিক কর দিতে হয়, এটা তো আমরা জানিই নাপৌরসভাও আমাদের কাছে কোনো দিন চায়নিযার কারণে আমরাও দিই না
মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘পানির কর আমার আগেও আদায় করা হতো নাআমি আসার আগে তো সড়কে বাতিরই ব্যবস্থা ছিল নাএই পৌরসভা কীভাবে চলেছে বোঝেন? তবে, পানি ও বিদ্যুতের বাসরিক কর আদায়ের বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবেসাবেক মেয়র মোহাম্মদ হোসেন জানান, পৌরসভার জনগণ কর দিতে চায় নাতাদের কাছ থেকে কর আদায় করা বড় কঠিনতাই তাঁর সময়কালে পানি ও বিদ্যুতের জন্য কর আদায় করা সম্ভব হয়নি

 

নিউজরুম

 

শেয়ার করুন