‘যুদ্ধাপরাধীদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই’ : আনিসুল হক

0
75
Print Friendly, PDF & Email

শাহবাগ,(৯ফেব্রুয়ারী) : রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে টানা চারদিন ধরে চলা গণআন্দোলন শুক্রবার গভীর রাতেও অব্যাহত রয়েছে। সন্ধ্যায় মহাসমাবেশ শেষ হলেও প্রতিবাদী সমাবেশ চলছে। এ সমাবেশ শেষ হবে সেদিন, যেদিন যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হবে।

এটাই শাহবাগের ‘গণজাগরণ’-এর ডাক।তারুণ্যে প্রকম্পিত এখনও শাহবাগের গণজাগরণ চত্বর। রাত পৌনে ১২টার সময় শাহবাগে কাদের মোল্লাসহ অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে স্থাপিত মঞ্চে সংহতি জানাতে এসে এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি আনিসুল হক মন্তব্য করেন যে, ‘‘যুদ্ধাপরাধীদের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।’’
তিনি বলেন, ‘‘আইন মানুষের জন্য, আইনের জন্য মানুষ নয়। প্রয়োজনে আইন বদলাতে হবে। নতুন আইন তৈরি করতে হবে। গত ৪০ বছরে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা যা করতে পারেননি, বর্তমান সরকার তা করে দেখিয়েছে। এরপরও সরকারের চেষ্টাই সব না। আরো শক্তি প্রয়োজন। আর গণভোটের মতো সেই শক্তি জুগিয়েছে তরুণ প্রজন্মের এই গণআন্দোলন।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘আমরা বহু আগে থেকেই বলছি, এই দেশে রাজাকারদের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। গত ৪৮ ঘণ্টায় তরুণরা যে আন্দোলন করেছেন, তা বিগত সব আন্দোলনকে ছাড়িয়ে গেছে। তরুণরা নিরলসভাবে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। তাদের চোখ মুখ মলিন হয়ে গেছে। তারা একাত্তর দেখেননি, কিন্তু বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস গড়েছেন।’’
তিনি বলেন, ‘‘ছোটদের পাশে (আন্দোলনকারীরা) না দাঁড়ালে তারা এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়বে। বুঝতে হবে, তারাও মানুষ। আজ আমি পুরো দেশের মানুষকে বলবো, আপনারা তাদের পাশে এসে দাঁড়ান। সব জেলা থেকে আসুন, তাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করুন। তাহলেই কেবল এই আন্দোলনের ‍উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে।’’
যারা এই আন্দোলনের আয়োজন করেছেন, তাদের সালাম দিয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘‘আজ এই তরুণরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, ইচ্ছা আর সাহস থাকলে যে কোনো সৎ কাজ সফলতার সঙ্গে করা সম্ভব।’’
তবে যে করেই হোক এই আন্দোলন সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। তাছাড়া এই আন্দোলন সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি ।

নিউজরুম

শেয়ার করুন