নির্বাচনি পদক্ষেপ দেশকে সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে: মওদুদ

0
83
Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা (১ফেব্রুয়ারী) : সরকারের নির্বাচনি পদক্ষেপ দেশকে সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি এও বলেছেন, “নির্বাচনি এ পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার নির্বাচিত না হলে গণতন্ত্র রক্ষা হতে পারে না।”
 
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সাংবিধানিক অধিকার ফোরাম আয়োজিত ‘রাজনীতি ও আগামী সংসদ নির্বাচন পদ্ধতি কোন পথে’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মওদুদ অভিযোগ করে বলেন, “গত চার বছরে সরকার গণতন্ত্র রক্ষার কোনো শর্ত পূরণ করতে পারেনি। সংসদকে অকার্যকর করা হয়েছে, একদলীয়ভাবে চারটি বাজেট পাস করেছে, যে সব মূলনীতির ওপর দেশ নির্ভর করে তার কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা গ্রাস করা হয়েছে, স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। স্বাধীন মত প্রকাশ করায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসিচব কারারুদ্ধ হয়েছেন।”

মওদুদ আরো বলেন, “তাদের দল ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগের মহাসচিব সরকারকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম কার্ডের কথা বললেও আমরা তাকে কারারুদ্ধ করিনি। আওয়ামী লীগ সমালোচনা সহ্য করতে পারে না বলে কখনও গণতান্ত্রিক দল হতে পারবে না। তাই বিরোধী দলকে সংসদের বাইরে রাখতে পঞ্চদশ সংশোধনী এনেছে।”

মওদুদ বলেন, “সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে শেখ হাসিনা নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলেই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বলছে। সরকার গণতন্ত্র ব্যাহত করে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্ঠা করছে। তাদের এই ষড়যন্ত্রে বিএনপি আপোস করবে না। সাধারণ মানুষও এই নির্বাচনে অংশ নেবে না। ঢাকায় বসেই তাদের নির্বাচন করতে হবে।”

তিনি সরকারকে তত্ত্বাবধায়কের বিল আনার আহ্বান জানান।

সাংবিধানিক অধিকার ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ার পারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মোহাম্মদ হানিফ, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব সুরঞ্জন ঘোষ। 

নিউজরুম

শেয়ার করুন