‘অসত্য’ বক্তব্য প্রত্যাহার করতে প্রধানমন্ত্রীকে ১৫ দিন সময় দিলেন তারেক

0
181
Print Friendly, PDF & Email

 

ঢাকা (৩০জানুয়ারী): ‘অসত্য’ বক্তব্য প্রত্যাহার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেওয়া লিগ্যাল নোটিসের মেয়াদ আরো ১৫ দিন সময় বাড়ানো হয়েছে।এর আগে ২ জানুয়ারি রেজিস্ট্রি ডাক ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ঠিকানায় প্রধানমন্ত্রীকে লিগ্যাল নোটিস দেন তারেক রহমান।

 

এদিন ২৮ দিনের মধ্যে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার করা না হলে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

বুধবার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, ২৮ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রী জবাব দেননি। তাই জবাব দেওয়ার জন্য তারেক রহমান ওনাকে (প্রধানমন্ত্রী) আরো ১৫ দিন সময় দিয়েছেন। আর সময় দিয়ে চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

২রা জানুয়ারি মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, ‘১ ডিসেম্বর বিকালে প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবজারে এক সমাবেশে বলেছেন, খালেদা জিয়া তার ছেলেরা নাকি সৎ জীবন যাপন করে বলেছেন। যেদিন তিনি এ কথা বলেছেন সেদিনই তার ছেলেদের মানিলন্ডারিংয়ের টাকা দেশে ফেরত এসেছে। এ মামলা আওয়ামী লীগ সরকার করেনি। মামলা হয়েছে আমেরিকার কোর্টে। এই এলাকার অনেকে প্রবাসে থাকেন। আপনারা একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন তার ছেলে লন্ডনের কোন এলাকায় থাকে। কি গাড়ি ব্যবহার করে। কি রকম বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে। কোথা থেকে এ টাকা আসে। দুর্নীতি ছাড়া এতো টাকা কোথা থেকে আসে।’

‘প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন, তাঁর ছেলেরা বিদেশে রেস্টুরেন্ট করেছে। বাড়ি করছে। গাড়ি কিনছে। ভাঙা সুটকেস থেকে কি এসব টাকা বের হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে মানিলন্ডারিং করে এসব টাকা পাচারকরে এখন লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে তারেক।’

‘প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য অসত্য। তারেক রহমানের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এ বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তিনি মানিলন্ডারিংয়ের সাথে জড়িত নন। আমেরিকায় তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি। লন্ডনে তার কোনো বাড়ি বা রেস্টুরেন্ট নেই। তিনি সেখানে সাধারণ জীবন যাপন করছেন’ বলে জানান মাহবুব উদ্দিন খোকন।  

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্য বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।’

‘তারেক রহমানের বাংলাদেশের বাইরে কোনো সম্পদ নেই। তিনি দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। এবং সব সময় নিয়মকানুন মেনে চলেন। তিনি সৎ ও স্বচ্ছভাবে নিয়মিত ট্যাক্স দেন। তার গোপন কোনো সম্পত্তি নেই। সুনামক্ষুন্ন করতে অসত্য ভিত্তিহীন ও ভুল তথ্য দিয়েছেন। এ বক্তব্য তার গ্রহণযোগ্যতাকে আহত করেছে। এবং তাকে ঘৃণারপাত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছে। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জনসম্মুখে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি আরো দায়িত্বশীল হবেন।’

নিউজরুম

শেয়ার করুন