পদ্মাসেতু প্রকল্পর,সাবেক দু’মন্ত্রীকে আসামি না করার ব্যাখ্যা সংসদে জমা

0
80
Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা (১২জানুয়ারী): পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে আসামি না করার ব্যাখ্যা জাতীয় সংসদে পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার সন্ধ্যায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের মাধ্যমে ওই ব্যাখ্যা পাঠানো হয়। দুদকের তদন্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
 
মামলায় সাবেক দুই মন্ত্রীকে আসামি না করা সঠিক হয়েছে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে দুদক বলেছে, অভিযোগের বিপরীতে আমলযোগ্য তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের আসামি করা হয়নি।

তবে তাদের বিরুদ্ধে যতটুকু অভিযোগ পাওয়া গেছে, তা এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত পর্যায়ে তাদের বিরুদ্ধে আমলযোগ্য অপরাধ পাওয়া গেলে চার্জশিটে তাদের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
 
সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের মাধ্যমে দুদকের কাছে ওই প্রশ্নের জবাব জানতে চেয়েছে।

রোববার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে দুদকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। দুদক থেকে সন্ধ্যায় এর জবাব মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়।
 
দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, এ প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে। স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে না।
 
কী প্রশ্ন করা হয়েছে জানতে চাইলে সাংসদ রেহানা আক্তার রানু সেলফোনে বলেন, ‘‘সংসদের চলতি অধিবেশনকে সামনে রেখে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি ষড়যন্ত্র মামলায় সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসানকে আসামি না করা সঠিক হয়েছে কিনা ও দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে কিনা এ দুটি প্রশ্ন জাতীয় সংসদের প্রশ্ন শাখায় জমা দিয়েছি। আশা করছি, চলতি অধিবেশনেই সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন দুটির জবাব পাবো।’’

প্রসঙ্গত, পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত ১৭ ডিসেম্বর সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে এ মামলায় আসামি করা করা হয়নি। তবে এজাহারে বলা হয়েছে, এ দুজনের সংশ্লিষ্টতা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।

এ মামলার আসামি মোশাররফ ও সেতু কর্তৃপক্ষের নদীশাসন বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারা হেফাজতে রয়েছেন।

অপর আসামিরা হলেন-সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের ও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট লিমিটেডের (ইপিসি) ডিএমডি মো. মোস্তফা, এসএনসি-লাভালিনের সাবেক পরিচালক (আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগ) মোহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ সাহা ও কেভিন ওয়ালেস।

নিউজরুম

শেয়ার করুন