সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা

0
49
Print Friendly, PDF & Email

কৃষি ডেস্ক(২ জানুয়ারী): জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধারণ কৃষকরা ভেজাল ও নিম্নমানের রাসায়নিকসার ব্যবহার করে প্রতারিত হচ্ছেনএ জন্য সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সঠিকতদারকি না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণাকরার সুযোগ পাচ্ছেউপজেলা প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে এসব ভেজাল ওনিম্নমানের সার বিক্রি করা আরও সহজতর হয়ে পড়েছেজানা যায়, বর্তমান সরকারকৃষকদের মাঝে উন্নতমানের সার সরবরাহ ও নির্ধারিত সময়ে যেন তারা হাতেরনাগালে সার ক্রয় করে ফসল উত্পাদন করতে পারে, তার জন্য ২০০৯ সালে সারাদেশেপ্রতিটি ইউনিয়নে ৯টি করে খুচরা সার বিক্রেতা নিয়োগের জন্য প্রজ্ঞাপন জারিকরেসে মতে অন্যান্য জেলার মতো জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার ৭টিইউনিয়নে খুচরা সার বিক্রেতা নিয়োগের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট উপজেলাপ্রশাসনকে নির্দেশ দেয়ওই নির্দেশের আলোকে বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ৭টিইউনিয়নের ৬৩টি খুচরা সার বিক্রেতা চূড়ান্ত করে সে বছরই বিক্রেতা বনামউপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির পক্ষে সদস্য সচিব ও উপজেলা কৃষিকর্মকর্তার মধ্যে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা স্বাক্ষর করেসেই সঙ্গেনিয়ম অনুযায়ী জামানত বাবদ ৩০ হাজার টাকা করে মোট ১৮ লাখ ৮৯ হাজার টাকাজনতা ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখায় সঞ্চয়ী হিসাব নং ১০৩৭৭ অ্যাকাউন্টে জমা রাখাহয়উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতরা অনেকেই জামানতবাবদ ৩০ হাজার টাকা প্রদান করে খুচরা সার বিক্রেতার কার্ড সংগ্রহ করলেওবর্তমানে তা অকার্যকর

 

 

 

নিউজরুম

 

শেয়ার করুন