নওগাঁয় কষ্টি পাথরের মূর্তিসহ আটক ১

0
264
Print Friendly, PDF & Email

 

 

 


মোফাজ্জলহোসেন, নওগাঁ (২২জানুয়ারী) : নওগাঁ ৪৩ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা পাশ্ববর্তী জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার সমন্তাহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের একটি কষ্টি পাথরের কৃষ্ণমূর্তি উদ্ধার করেছে। সেই সাথে লাভলু (২৫) নামে এক মুর্তি ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। আটককৃত লাভলু সমন্তাহার গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে।

 

এ ব্যাপারে নওগাঁর ৪৩ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর শরীফ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সমন্তাহার গ্রামে লাভলুর বাড়িতে অভিযান চালায়।

 

এ সময় তার শয়ন কক্ষের খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা ৩৯ কেজি ওজনের ওই মূর্তিটি পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত মুর্তিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। মূর্তিটি উদ্ধারের পর ৪৩ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সদর দপ্তর নওগাঁতে আনা হয়। পরে উদ্ধারকৃত মূর্তিটি নওগাঁ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে হস্তান্তর করা  

 

 

 

 

 

পত্নীতলার সোয়া কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মান কাজের উদ্ধোধন

 

 

 

 

 

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপে­ক্স্রের নতুন ভবনের নির্মান কাজের ফলক উন্মোচন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এতে প্রধান অতিথি হিসাবে নির্মান কাজের ফলক উন্মোচন করেন, আলহাজ্ব শহীদুজ্জামান সরকার এমপি। এসময় অন্যান্যের মধ্যে পত্নীতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আঃ গাফফার চৌধূরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত মোঃ রফিক, উপজেলা প্রকৌশলী কাওছার আলম, নির্মানকারী ঠিকাদার শাহরিয়ার রাসেল প্রমুখ। এলজিইডির তত্বাবধানে প্রায় ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প এটি নির্মিত হবে। পরে প্রধান অতিথি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির তত্বাবধানে রাওতারা গ্রাম উন্নয়ন রাসত্মার নির্মান কাজের উদ্ধোধন করেন।#

 

 

 

নওগাঁর সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার কাগজ তৈরির অভিযোগ

 

 

 

 

 

 

 

নওগাঁর সিভিল সার্জন হিসাবে দু বছর চাকরী পার করছেন ডাঃ সোলাইমান আল ফারুক। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার কাগজ তৈরি করে বাড়তি দু বছর চাকুরীর অবশেষে তদন্তে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা প্রমান হয়েছে। তার সরকারী ৩০৩ নং গেজেট মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় গত ১ জানুয়ারী বাতিল করেছে।

 

গত দু বছর সরকারী সুযোগ নিয়ে ইতি মধ্য শুধূ সরকারী ভাতা তুলেছেন ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগ বানিজ্য, বদলী আদেশ প্রত্যাহার, প্রত্যায়ন পত্র বিক্রি আর অফিস কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নানা ভাবে ধমক দিয়ে আরো  প্রায় ৭৫ লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে।চাঞ্চল্যকর এ জালিয়াতি ব্যাপারে নওগাঁর বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আত্রাই রানী নগরের সাবেক সাংসদ অহিদুর রহমান সুনিদিষ্ট প্রমান সহ গেল বছর সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে অভিযেগ প্রেরন করেন।

 

এ অভিযোগে উলেস্নখ করেন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সোলাইমান আল ফারম্নক কোন সেক্টরে যুদ্ধ না করেও ভুয়া কাগজ তৈরি করে দু বছর চাকরীর বাড়তি সুযোগ নিয়েছে। এ অভিযোগের সুত্র ধরে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় থেকে সরকারী পরিবহন পুল ভবন থেকে গেল বছরের ১৩ মে ডাঃ সোলাইমান আল ফারুকের স্বপক্ষের কাগজ নিয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা দফতর তার ব্যাপারে অনু সন্ধানে নামে।

 

প্রতিরক্ষা দফতর  অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয় ডাঃ সোলাইমান ৭ নং সেক্টরে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে এর পক্ষে কোন প্রকার কাগজ পত্র দেখাতে পারেন নাই। তা ছাড়া তদমত্মটিম অভিযুক্ত সোলাইমানের নিজ গ্রামের ক’জন মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন মামুনুর রশীদ এবং বেলাল হোসেনের বরাত দিয়ে উল্লেখ করেন এসব মুক্তিযোদ্ধা কোন সোলাইমান আল ফারম্নকের যুদ্ধে অংশ গ্রহন শুনেনি।

 

একই অবস্থা বনর্না দেন নওগাঁ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদেও কমান্ডার হারম্নন আল রশীদ, সাংগটনিক সম্পাদক গোলাম মোসত্মফা। প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয় ডাঃ সোলাইমানের নিজ গ্রামের জনৈক নাজমুল হক হান্নানের মাধমে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রভাব শালী এক নেতার সহায়তায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ উত্তোলন করেন। এ সনদ দেখিয়ে ডা: সোলাইমান আল ফারুক ২০১১ সালের ৪ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনায় থেকে প্রকাশিত ৪৩ তম প্রজ্ঞাপনে ৩০৩ নং সরকারী গেজেট ভুক্ত হয়।

 

সরকারী ভাবে এ গেজেটের কপি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদে প্রেরন করা হলে তা গ্রহন না করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সোলাইমান কে এড়িয়ে চলার ঘোষনা দেওয়া হয়।প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয় সম্পুর্ন জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা হওয়া এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে তার স্বপক্ষে কাগজ না দেওয়ার পেছনে অসৎ উদ্যেশ্য ছিল। মাঠ পর্যায়ের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে প্রতিবেদনে ডাঃ সোলাইমান আল ফারুক কে ভুয়া মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে উল্লেখ করে তা বাতিল করার জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ে  সুপারিশ করেন প্রতিরক্ষা মহা পরিদফতরের মহা পরিচালক লেঃ কর্নেল মোঃ মোসত্মাফিজুর রহমান।

 

এরই আলোকে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় গত ১ জানুয়ারী রুলস অব বিজনেস সিডিউল ১৯৯৬ এর আলোকে ডাঃ সোলাইমানের ৩০৩ নং মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল ঘোষনা করে। একই সাথে প্রতরনার জন্য তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়।  

 

 

 

সম্পাদনা, আলীরাজ হেড অব নিউজ

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন