ডিসিসি নির্বাচন: স্থগিতাদেশ আরো ৩ মাস বাড়লো

0
106
Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা (০৮জানুয়ারী) :  ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তফসিলসহ নির্বাচনের সব ধরনের কার্যক্রমের স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরো তিন মাস বাড়িয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধির এক আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

এ নিয়ে ৩ বার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়লো। গত বছরের গত ১৬ এপ্রিল অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিসিসির নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। পরে ২৩ জুলাই পুনরায় আবেদন করার পর স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ৩ মাস বাড়ানো হয়। ৮ অক্টোবর ফের আবেদন করার পর দ্বিতীয়বারের মতো স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরো ৩ মাস বাড়ানো হয়। ১৬ এপ্রিলের আদেশে নির্বাচনের তিন মাস আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশও দেন হাইকোর্ট। এই নির্দেশ ছাড়াও আইনের যথাযথ বিধান অনুসরণ না করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত। অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের জানান, রিট মামলাটি এখন বিচারধীন। কিন্তু তিন মাসের যে স্থগিতাদেশ রয়েছে, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

আদালতের দেওয়া আদেশগুলো মানা হয়নি। রুলের জবাব দেওয়া হয়নি। এ জন্য মামলাটির শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন যেন স্থগিত থাকে সে মর্মে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে স্থগিতের মেয়াদ আরো তিন মাস বৃদ্ধি করেছেন। ১৬ এপ্রিল দেওয়া আদালতের আদেশে আরও বলা হয়েছে, ইসিকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন’২০০৯ অনুসরণ করতে হবে। নতুন কতোটি কাউন্সিলর পদ থাকবে তাও ঘোষণা করতে হবে। ওই দিন রিট আবেদনকারী মনজিল মোরসেদ আদালতে বলেছিলেন, ‘‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সম্পূর্ণ নতুন সিটি করপোরেশন। ঢাকা সিটি করপোরেশন এখন ইতিহাস। নতুন সিটি করপোরেশন হলে তার জন্য যে আইন রয়েছে তা অনুসরণ করতে হবে। সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। কাউন্সিলর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। কিন্তু এখানে সিডিউলে কিছুই করা হয়নি। গুলিস্তান থেকে রামপুরা পর্যন্ত একটা লোক হেঁটে গেলেন আর বললেন, এ পাশে উত্তর ওই পাশে দক্ষিণ, এভাবে করলে তো আর হবে না। অথবা এটা ছেলের হাতের মোয়া নয় যে, এক ছেলের কাছ থেকে নিয়ে আরেক ছেলেকে দিয়ে দেবে।

’’ দৈনিক ইত্তেফাকের একটি সংবাদ আদালতে উপস্থাপন করে মনজিল বলেছিলেন, ‘‘নতুন পাঁচ লাখ ভোটার হওয়ার যোগ্য লোক ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি। ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করার কারণে তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।’’

নিউজরুম

শেয়ার করুন