‘এর জন্য নিজেকেই দোষ দেব’

0
96
Print Friendly, PDF & Email

স্পোর্টস ডেস্ক(৪ জানুয়ারী):আরও কিছুক্ষণ উইকেটে থাকলে হয়তো সেঞ্চুরিটাও হয়ে যেত। সেটা না হওয়ায় আফসোস আছে। তবে অনেক দিন পর ভালো একটা ইনিংস খেলতে পেরে যেন আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন বিসিএলের দল ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলের ওপেনার নাফিস ইকবাল

 ৮৩ রান করে আউট হয়ে গেলেন। সেঞ্চুরি না পেয়ে কোনো আফসোস?l
নাফিস ইকবাল: আফসোস তো অবশ্যই আছে। লাঞ্চের মাত্র ১৫ মিনিট আগে আউট হয়ে যাওয়ায় বেশি খারাপ লাগছে। লিড নিতে পারিনি, সে জন্যও একটু হতাশ। তার পরও আমার মনে হয় ম্যাচের এখনো অনেকটাই বাকি। আশা করি, ভালো ফলাফল হবে।
 অনেক দিন ধরেই আপনি আলোচনায় নেই। রকম ইনিংস নিশ্চয়ই আত্মবিশ্বাস বাড়াবে?l
নাফিস: আশা করি। ভালো ইনিংস খেললে ভালো লাগে, আলোচনায় আসা যায়। পরিকল্পনা ছিল যত লম্বা ইনিংস খেলা যায়। এক করতে পারলে আরও ভালো হতো।
 আপনার কি মনে হয়, বয়সের তুলনায় একটু তাড়াতাড়িই হারিয়ে যাচ্ছেন?l
নাফিস: এর জন্য আমি নিজেকেই দোষ দেব। হয়তো যে রকম পারফরম্যান্স করার দরকার ছিল, রকম করতে পারিনি। গতবার জাতীয় লিগে ভালো খেলেছি, এবার গড়পড়তা খেলেছি। জাতীয় দলের বাইরে চলে গেলে দুএকটা বছর টানা ভালো খেলতে হয়। আমি তা খেলতে পারিনি। ছাড়া চট্টগ্রামে অনুশীলনের সুযোগসুবিধা অনেক কম। জাতীয় লিগপ্রিমিয়ার লিগে খেলাটা তখন কঠিন হয়ে যায় আমাদের জন্য। ঢাকায় যারা থাকে, তারা সব সুযোগসুবিধা পেলেও আমরা এসব থেকে বঞ্চিত।
 আবার জাতীয় দলে ফেরার আশা করেন?l
নাফিস: আমার বয়স এখন ২৮ বছর। আশা তো করিই। তবে এটাও ঠিক, এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক বেড়ে গেছে। নতুন অনেক ভালো ভালো খেলোয়াড় এসেছে। তার পরও আশা ছাড়িনি। নাজিমউদ্দিনের উদাহরণ দিতে চাই। আমার বয়সী। যেহেতু ভালো খেলে আবার জাতীয় দলে ফিরতে পেরেছে, আশা করি রকম পারফর্ম করলে আমিও পারব।
তামিম ইকবালের সাফল্যে নিশ্চয়ই আপনি অনেক খুশি। কিন্তু কখনো কি আফসোস হয় না, যদি ছোট ভাইয়ের সঙ্গে আপনিও জাতীয় দলে খেলতে পারতেনl
নাফিস: তামিম আমার ছোট ভাই। ওর সাফল্যের জন্য সব সময় দোয়া করি। তবে হ্যাঁ, স্বপ্ন ছিল ওর সঙ্গে খেলা। এটা ওরও স্বপ্ন। আমার কারণেই হয়তো বা আমাদের সে স্বপ্নপূরণ হচ্ছে না। তবে আমি স্বীকার করি, তামিম আমার চেয়ে অনেক অনেক ভালো খেলোয়াড়। জাতীয় দলে আমার আগে ওরই জায়গা পাওয়া উচিত।
 জাতীয় লিগ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই লিগের মধ্যে কী পার্থক্য দেখছেন?l
নাফিস: ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, কারণ এখানে দলের সংখ্যা কম। মান অনেক ভালো, সুযোগসুবিধাও জাতীয় লিগের তুলনায় বেশি। এসব ভালো খেলার অনুপ্রেরণা দেয়। ইসলামী ব্যাংক যেমন আমাদের খুবই ভালো সুযোগসুবিধা দিচ্ছে। আমার মনে হয়, সব ফ্র্যাঞ্চাইজির তুলনায় আমরাই সবচেয়ে ভালো আছি। নতুন খেলোয়াড়েরা এতে বেশি অনুপ্রাণিত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা, প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট ম্যাচের সংখ্যা বাড়ছে। সামনে আশা করি আরও বাড়বে, বাড়া উচিতও।
 সিলেট আর চট্টগ্রাম মিলে পূর্বাঞ্চল দল। দুই জায়গার আঞ্চলিক ভাষায় তো অনেক পার্থক্য। সমস্যা হয় না?l
নাফিস: হ্যাঁড্রেসিংরুমে এটা নিয়ে অনেক মজা হয়। তবে শুদ্ধ ভাষা বলেও একটা কথা আছে, আমরা ওটাই বলি (হাসি)

 

নিউজরুম

 

শেয়ার করুন