প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ

0
108
Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা  (২ জানুয়ারী) : ‘অসত্য’ বক্তব্য প্রত্যাহার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৮ দিনের মধ্যে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

বুধবার দুপুরে রেজিস্ট্রি ডাক ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ঠিকানায় এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, “১ ডিসেম্বর বিকালে প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে এক সমাবেশে বলেছেন, খালেদা জিয়া বলেছেন তার ছেলেরা নাকি সৎ জীবন যাপন করে। যেদিন তিনি এ কথা বলেছেন সেদিনই তার ছেলেদের মানি লন্ডারিংয়ের টাকা দেশে ফেরত এসেছে। এ মামলা আওয়ামী লীগ সরকার করেনি। মামলা হয়েছে আমেরিকার কোর্টে। এই এলাকার অনেকে প্রবাসে থাকেন। আপনারা একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন, তার ছেলে লন্ডনের কোনো এলাকায় থাকে। কি গাড়ি ব্যবহার করে, কি রকম বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে কোথা থেকে এ টাকা আসে? দুর্নীতি ছাড়া এতো টাকা কোথা থেকে আসে?’

“প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন, তাঁর ছেলেরা বিদেশে রেস্টুরেন্ট করেছে, বাড়ি করছে, গাড়ি কিনছে। ভাঙা সুটকেস থেকে কি এসব টাকা বের হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে মালিন্ডারিং করে এসব টাকা পাচার করে এখন লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে তারেক।”

“প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য অসত্য। তারেক রহমানের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এ বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তিনি মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত নন। আমেরিকায় তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি। লন্ডনে তার কোনো বাড়ি বা রেস্টুরেন্ট নেই। তিনি সেখানে সাধারণ জীবন যাপন করছেন,”  বলেন মাহবুব উদ্দিন খোকন।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্য বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।”

“তারেক রহমানের বাংলাদেশের বাইরে কোনো সম্পদ নেই। তিনি দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সব সময় নিয়মকানুন মেনে চলেন। তিনি সৎ ও স্বচ্ছভাবে নিয়মিত ট্যাক্স দেন। তার গোপন কোনো সম্পত্তি নেই। সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অসত্য ভিত্তিহীন ও ভুল তথ্য দিয়েছেন। এ বক্তব্য তার গ্রহণযোগ্যতাকে আহত করেছে এবং তাকে ঘৃণার পাত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছে। সরকারপ্রধান হিসেবে জনসম্মুখে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি আরো দায়িত্বশীল হবেন।”

প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা চেয়ে ২৮ দিনের মধ্যে এ বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মাহবুব উদ্দিন।

শেয়ার করুন