ঠাকুরগাঁও ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে ৩ বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

0
179
Print Friendly, PDF & Email

ঠাকুরগাঁও / বালিয়াডাঙ্গী (২৮ ডিসেম্বর) ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নাগরভিটা সীমান্তে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোররাতে বাংলাদেশী দুই গরু ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী (৩২) ও কাশিম আলীকে (৩০) ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় তিলগাঁও ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা।

এলাকাবাসী ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কাশূয়া খেরবাড়ী গ্রামের মরহুম মতিলালের ছেলে আইয়ুব আলী ও পাশের মশালডাঙ্গী ৪ নম্বর কলোনি গ্রামের মরহুম রহমান ভুঁইয়ার ছেলে কাশিম আলী বৃহস্পতিবার ভোররাতে নাগরভিটা বিজিবি সীমান্তের ৩৭৭/১ এস সাব পিলারের কাছে গরু কিনতে যান। ওই সময় ভারতীয় ইসলামপুর জেলার গোয়ালপুকুর থানার তিলগাঁও ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যদের নজরে পড়লে তাদের আটকের পর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে নাগরভিটা বিজিবি সদস্যরা গতকাল সকালে পত্র প্রদানের মাধ্যমে ভারতীয় তিলগাঁও ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যদের তীব্র প্রতিবাদ জানালে গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় নাগরভিটা সীমান্তের ৩৭৭ পিলারের জিরোপয়েন্টে উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ বিজিবিকে জানিয়েছে, বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের ভারতীয় থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা ও জীবননগর সংবাদদাতা জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার মেদেনীপুর সীমান্ত থেকে সেন্টু নামে এক বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। গতকাল ভোররাতে ভারত থেকে গরু নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় সীমান্তের পুটখালী বিল এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। অপহৃত যুবক সেন্টু জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।্

এর আগে ১৯ ডিসেম্বর একই সীমান্ত থেকে খলিলুর রহমান নামে এক গরু ব্যবসায়ীকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে ভারতের কৃষ্ণনগর জেলে আছে।

চুয়ডাঙ্গাস্থ ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ীকে ফেরত চেয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে বিএসএফকে গতকাল সকালে একটি পত্র দেয়া হয়েছে। তবে বিএসএফ এখনো কোনো উত্তর দেয়নি।

নিউজরুম

শেয়ার করুন