যে কোন সময় জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে: জ্বালানি উপদেষ্টা

0
200
Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা (২৩ ডিসেম্বর) : আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য জ্বালানি তেলের দাম যে কোনো সময় বাড়ানো হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই ইলাহী।

শনিবার রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্র নির্ধারণ’ বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।

এখনও প্রতি লিটার ডিজেলে ১৮ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে ড. তৌফিক-ই ইলাহী বলেন, “যদি জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দেওয়া অব্যাহত থাকে তাহলে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে তহবিল বরাদ্দ করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না। তাই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের জন্যই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে।”

এ খাতে ভর্তুকি কমানো গেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো সম্ভব হবে বলেও মন্তব্য করেন জ্বালানি উপদেষ্টা।

এ সময় বিদ্যুতের দাম বাড়ার পরও কিছু সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লোকসান গুণছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, “প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ বিদ্যুৎ শক্তি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য বলছে। বিষয়টি সম্পর্কে রেগুলেটরি ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবে।”

নতুন গ্যাস সংযোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ কারণে সরকার শিল্পগুলোতে নতুন গ্যাস সংযোগ দিতে পারছে না।”

গত নভেম্বরে উচ্চ আদালত এক আদেশে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অবৈধভাবে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

এছাড়া, কেন গ্যাস সরবরাহ লাইনকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কেন অবৈধ সংযোগ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে না তার ব্যাখা দেওয়ার জন্য সরকারকে চার সপ্তাহ সময় দেন আদালত।

অবৈধ গ্যাস সংযোগের সঙ্গে জড়িতদের একটি তালিকা করতে একটি কমিটি গঠন করতেও সরকারকে নির্দেশ দেন আদালত।

ড. ইলাহী সাংবাদিকদের বলেন, “সরকার এখনও ফুলবাড়ি কয়লা খনি থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে না মাইনের মাধ্যমে কয়লা উত্তোলন করা হবে, সে ব্যাপারে এশিয়া এনার্জি অথবা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্ট (জিসিএম) রিসোর্সেসকে কোনো অনুমতি দেয়নি।

তিনি বলেন, “কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং পরিচালিত জরিপের ফলাফলের মাধ্যমে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী হতে পারে তা পর্যালোচনা করবো।”

ড. চৌধুরী আরও বলেন, “সরকার আমদানিকৃত কয়লার মাধ্যমে বেশ কয়েকটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। আমাদের স্থানীয় কয়লা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য মজুদ রাখা হবে।”

নিউজরুম

শেয়ার করুন