হরতালে বাটেক্সপোতে দর্শনার্থী কম, বিকেলে আসছেন খালেদা

0
132
Print Friendly, PDF & Email

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে: রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজিএমইএ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ অ্যাপারেল অ্যান্ড টেক্সটাইল এক্সপোজিশন (বাটেক্সপো) মেলার দ্বিতীয় দিনের প্রথমভাগ  হরতালের কারণে জমে ওঠেনি।        
   
তবে সকাল থেকে দুপুর একবারে ফাঁকা থাকলেও দুপুরের পর থেকে দর্শনার্থী সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বিকেল সাড়ে তিনটায় এখানে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার সমাপণী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

সকাল থেকে স্টলগুলোতে কথা বলে জানা গেছে, হরতালের কারনে নিরাপত্তার কথা ভেবে বিদেশি ক্রেতারা মেলায় আসেননি। তবে দেশি ক্রেতাদের কিছুটা ভীড় দেখা যায়।
 
দেশের পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় এ প্রদর্শনী আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। তবে প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনেই হয়ে যাচ্ছে সমাপনী অনুষ্ঠান। খালেদা জিয়া ছাড়াও বিএনপির নেতৃবৃন্দ এতে উপস্থিত থাকবেন। এর আগে বুধবার মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনা।
 
মেলায় ৩২,৩৩ স্টলের তামান্না ইন্টারনাশনাল মার্চেনডাইজার শহিদুজ্জামান বলেন, হরতালে নিঃসন্দেহে লোক উপস্তিতি কম হবে। বিদেশি ক্রেতারা নিরাপত্তার চিন্তা থেকে আসেননি। তবে শুক্রবার মেলার শেষ দিনে অনেক ভীড় হবে।

কয়েকবার মেলায় অংশ নেয়া সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার মাজেদ উল আলম বলেন, উদ্বোধনের দিনে আধা বেলা, হরতালের কারনে দ্বিতীয় দিনে আধাবেলা কেনা-বেচা নেই, শুক্রবারতো শেষ দিন তার পরেও অস্বাভাবিক পরিস্তিতিতেও আমরা অর্ডার নিয়ে সন্তুষ্ট।
 
প্রদর্শনীতে ওভেন পোশাক, নিট পোশাক, গার্মেন্ট এক্সেসরিজ ও গার্মেন্ট টেকনোলজির ১৩৮টি স্টল রয়েছে। বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ওভেন, নিট ও সোয়েটার খাতের মোট ৩৩টি প্রতিষ্ঠান স্টল দিয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় ও বিদেশি অ্যাকসেসরিজ বা অনুষঙ্গ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্টল থাকবে যথাক্রমে ১৪ ও ৯টি। স্থানীয় ও বিদেশী বস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দুটি এবং নতুন সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান থাকবে দুটি। তৈরি পোশাকের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ১৬টি। পৃষ্ঠপোষকদের স্টল  ১৯টি এবং অন্যান্য স্টল ২৭টি। মেলায় পোশাক প্রদর্শনীর পাশাপাশি আলোচনা সভা, সেমিনার, ফ্যাশন শো, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।
 
বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান জানান, হরতালে কিছুটা সমস্যাতো হয়েছে। তবে গত বছর প্রদর্শনী থেকে ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার স্পট অর্ডার (তাৎক্ষণিক চাহিদা) এসেছিল। এ বছর এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার তাৎক্ষণিক চাহিদা পাওয়া আশা করছি।

তিনি বলেন, চীনে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। তাই আমরা আশাবাদী।

শেয়ার করুন