প্রধানমন্ত্রী ৮ অক্টোবর রামু যাচ্ছেন

0
193
Print Friendly, PDF & Email

কঙ্বাজার প্রতিবেদক, ০৫ অক্টোবর:
রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে ঘরবাড়িতে হামলা-অগি্নসংযোগ এবং ভাংচুরের আটদিন পর রামু যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ ৮ অক্টোবর বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী কঙ্বাজার পৌঁছাবেন বলে তার প্রটোকল কর্মকতর্া শেখ আকতার হোসেন স্বারিত সফরসূচিতে এ কথা জানানো হয়েছে৷ জানাগেছে, কঙ্বাজারের রামুতে তিগ্রস্থ বৌদ্ধ মন্দির এবং বসত বাড়ি পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী বিমানযোগে বেলা ১১ টায় কঙ্বাজার পৌঁছবেন৷ রামুতে তিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ ও অনুদানের চেক বিতরণ করবেন৷ দুপুর ১ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঙ্বাজারে ফিরবেন৷ কঙ্বাজারে জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উধ্বর্তন কর্মকতর্া, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপ করবেন৷ বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে তিনি কঙ্বাজার ত্যাগ করবেন তিনি৷ এদিকে শুক্রবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান ও বিএনপি’র তদনত্ম কমিটি রামু আসছেন৷ ড. মিজানুর রহমান রামু উপজেলার তিগ্রস্থ বৌদ্ধ মন্দির পরিদর্শন, স্থানীয় জনসাধারন ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন৷ বিএনপির তদনত্ম কমিটির আহবায়ক ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুলস্নাহ আল নোমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক মন্ত্রী এড. গৌতম চক্রবতর্ী৷ ইতিমধ্যে বিএনপি’র প্রতিনিধিদলটি কঙ্বাজার এসে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে৷ এদিকে কঙ্বাজারের রামুতে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রোসের ঘটনা তদনত্মে গঠিত বিভাগীয় তদনত্ম দল ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছে৷
বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা রামুতে তিগ্রস্থ বিভিন্ন বৌদ্ধ মন্দির, বসতবাড়ি পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে তাদের কাজ শুরু করেন৷ এ সময় তারা একটি হাত বোমার খোসা, সিমেন্টের তৈরি ব্#৮৭২২;ক, পোড়ামাটিসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন৷ ঘটনা তদনত্মে বিভাগীয় তদনত্ম কমিটি আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে৷ তদনত্ম দলের প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে চার উচ পদস্থ সরকারি কর্মকতর্া রামুর মেরং রোয়ার সীমাবিহার, উত্তর মিঠাছড়ির বনবিহার, শ্রীকূল মৈত্রীবিহার, লালসিং, সাদাসিং, বড়কিয়াং এলাকা পরিদর্শন করেন৷ সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যনত্ম তদনত্ম দলের সদস্যরা এসব এলাকায় তিগ্রস্থ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন৷ পরে বিকালে সীমাবিহারে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন তারা৷ রামুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে দেশটির বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন৷ বাংলাদেশের কঙ্বাজারের রামুর ঘটনা শ্রীলঙ্কান সংবাদপত্রে প্রকাশের পর থেকে স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়৷
তারই অংশ হিসেবে এই হামলা হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলা৷ বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করে একদল উত্তেজিত লোক৷ এসময় পানির বোতল ও ঢিল ছুড়ে দূতাবাসের জানালার কাঁচ ভেঙ্গে দেয়৷
নিউজ ডেস্ক

শেয়ার করুন