সংখ্যালঘুদের ক্ষতি বরদাশত করবে না বিএনপি : খালেদা

0
229
Print Friendly, PDF & Email

রুপসীবাংলা,ঢাকা১৩অক্টবর:
সংখ্যালঘুদের জান, মাল ও উপাসনালয়ে কোনো প্রকার হুমকি বা ক্ষতি বিএনপি বরদাশত করবে না বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
শনিবার বিকেলে সংবাদপত্রে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, “রামু, উখিয়া ও পটিয়ায় বৌদ্ধমন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা কেন ঘটল এবং কারা এর পেছনে ইন্ধন জুগিয়েছে তার কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির কোনো উদ্যোগ আজ প্রায় দুই সপ্তাহ গত হবার পরও জনগণ দেখতে পায়নি। বরং সরকার এই গুরুতর বিষয়টিকে রাজনৈতিক রঙ দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমন ও সংকীর্ণ ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা করছে। এ অবস্থায় আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।”
তিনি বলেন, “আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, সংখ্যালঘুদের জান, মাল ও উপাসনালয়ের ওপর কোনো প্রকার হুমকি বা ক্ষতিসাধন আমরা বরদাশত করতে পারি না। সব প্রকার ধর্মীয় ও নৃ-গোষ্ঠীগত উগ্রতার আমরা তীব্র নিন্দা করি এবং ধর্ম, নৃ-গোষ্ঠী বা জাতিগত ভিন্নতা বা বৈচিত্রকে কোনো প্রকার হীন সাম্প্রদায়িক স্বার্থে ব্যবহার করার অপপ্রয়াসকে আমাদের প্রতিহত করতেই হবে।”
খালেদা জিয়া বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলে আজ সংখ্যালঘুরা যেভাবে শারীরিক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও মানসিকভাবে মর্মাহত হয়েছেন এবং অমর্যাদাবোধে ভুগছেন তা দ্রুত দূর করার দায়িত্ব আমাদের সবাইকে নিতে হবে। আমাদের বুঝতে হবে যে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষার মধ্য দিয়েই কেবল আমরা আমাদের ঐক্য ও শক্তি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হব। বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার ক্ষেত্রেও যা অত্যন্ত জরুরি।”
বিএনপি প্রধান বলেন, “আমি আমার দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিচ্ছি যে, তারা যেন দৃঢ়তার সঙ্গে এই নীতির ওপর দাঁড়িয়ে তাদের সমস্ত মন-প্রাণ ও শক্তি-সামর্থ দিয়ে প্রতিটি জেলায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, যাতে এ ধরনের কোনো ঘটনা ভবিষ্যতে আর কখনও না ঘটে। এ ধরনের ঘটনা ঘটাবার দুঃসাহস যেন কারও না হয়। আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে, জাতি-ধর্ম-গোষ্ঠী নির্বিশেষে আমরা প্রত্যেকেই ‘বাংলাদেশি’ এবং এই দেশের নাগরিক।”
তিনি বলেন, “দেশে-বিদেশে বাংলাদেশিরা এ ঘটনায় যেমন উদ্বিগ্ন, তেমনি এই জঘন্য হামলার ঘটনা বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের সবার মাথা হেট করে দিয়েছে। এ ঘটনার ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় বন্ধুদেশগুলো বিব্রত এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। এভাবে অপরাধ ও অপরাধীকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের সমাজ ও জনগণের প্রতি প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়ে চলেছে তা উপমহাদেশে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে জবাবদিহি করতে হচ্ছে।”
খালেদা জিয়া বলেন, “আমরা এই গুরুতর ঘটনা নিয়ে ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টাকে আগুন নিয়ে খেলার শামিল বলে শাসকদের

শেয়ার করুন