জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে

0
115
Print Friendly, PDF & Email

দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ সেবন করে রোগীরা সুস্থ হওয়ার বদলে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এ ধরনের ওষুধের উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ওষুধ কোন বিলাসী ভোগ্যপণ্য নয়।
এর ওপর মানুষের জীবন-মরণ নির্ভর করে থাকে। এক্ষেত্রে ক্রেতার স্বার্থ রক্ষা করা অনেক বেশি জরুরি। এটা শুধু মানের ক্ষেত্রে নয়, দামের ক্ষেত্রেও। বাজারে গত কয়েক মাস ধরে জীবনরক্ষাকারী ওষুধসহ সব ধরনের ওষুধের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, দেশে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কেউ নেই। কার্যত প্রায় গোটা ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে ওষুধ শিল মালিক সমিতি। তারা ডলার ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে ইচ্ছামতো বাড়িয়ে দিয়েছে ওষুধের দাম। দুর্ভাগ্যজনক যে, এ পরিস্থিতি রোধে নেয়া হচ্ছে না কোন পদক্ষেপ। আমরা বলব, এ ব্যাপারে সরকারের নির্বিকার থাকার সুযোগ নেই। ওষুধ নিয়ে অরাজক পরিস্থিতি রোধে ফুড এন্ড ড্রাগ অথরিটি গঠন জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। এ অধিকার রক্ষার্থে সরকারের উচিত এমন একটি কর্তপক্ষ গঠনে উদ্যগী হওয়া।
দেশে ওষুধ শিল একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। চাহিদার সিংহভাগ মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে দেশে উৎপাদিত ওষুধ। এ খাতের প্রসার ঘটলে সার্বিকভাবে লাভবান হবে দেশের অর্থনীতি। সে জন্য ওষুধ শিলের বিকাশে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে, এটাই আমরা চাই। তবে ওষুধের মান ও অভ্যমত্মরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণের যথাযথ ব্যবস্থা রেখেই যা কিছু করার তা করতে হবে।

শেয়ার করুন