খরায় ফলন বিপর্যয়ের সম্ভাবনা ধামইরহাটের আমন ধানে

0
121
Print Friendly, PDF & Email

নওগাঁর ধামইরহাটে আমন ধানের থোড় বের হবার পূর্বে প্রচন্ড খরার কারণে ফলন বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দেখছেন এলাকার কৃষককুল৷ অনেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দেয়ার চেষ্টা করছে৷ জানা গেছে, আদি বরেন্দ্র অঞ্চল খ্যাত নওগাঁর ধামইরহাট ও আশপাশের উপজেলাগুলোতে আবারও প্রবল খরা দেখা দিয়েছে৷ খরার কারণে কৃষককুল চরম হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন৷
দীর্ঘ প্রায় ১ মাস ধরে এ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হয়নি৷ পানির অভাবে নদী নালা খাল বিলগুলোর শুকিয়ে খা খা করছে৷ একদিকে অনাবৃষ্টি আর প্রখর খরার কারণে ধান তেসহ অন্যান্য ফসলের জমির পানি শুন্য হয়ে পড়েছে৷ বিশেষ করে আমন ধান েেতর উচু শ্রেণীর ধান তে অনেকটা বিবর্ণ হয়ে পড়েছে৷ আমন মওসুমের প্রথম থেকে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার ধামইরহাট উপজেলায় ২২ হাজার ১শত ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপন করা হয়েছে৷ রোপনকৃত ধানে কৃষককূল সঠিক সময়ে সার,কীটনাশক ও পরিচর্চা করার ফলে গাছগুলো সতেজ ও লকলকে হয়ে উঠে৷ কিন্তু একটানা খরার কারণে ধান েেত লিফ ব্রাইচ (খোল পঁচা) ও বাদামী গাছ ফড়িং (কারেন্ট পোকা) আমক্রণ দেখা দিয়েছে৷ এসব পোকার আক্রমণে অনেক েেতর ফসলের তি হলেও তা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগে উপজেলা কৃষি অফিস বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করায় তা নিয়ন্ত্রণে আসে৷ এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোখলেছুর রহমান জানান, লিফ ব্রাইট ও বাদামী গাছ ফড়িং ও অন্যান্য পোকা মাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসলকে রার জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগের প থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ১ টি পৌরসভায় ২৭টি কৃষক উদ্ভুত করণ সভা করা হয়েছে৷ কৃষক পর্যায়ে উদ্বূত করণ সভায় অংশ গ্রহণ ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়ায় ৮১ জনকে পুরষ্কার হিসেবে ছাতা প্রদান করা হয়েছে৷ তিনি আরও বলেন, এসব পোকার আমক্রণ থেকে ফসলকে রার জন্য কৃষক পর্যায়ে প্রায় ১৫ হাজার লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে৷ বর্তমানে অত্র উপজেলায় বাদামী গাছ ফড়িং ও লিফ ব্রাইট নিয়ন্ত্রণে রয়েছে৷ এদিকে কৃষকগণ জানান,গত বোরো মওসুমে ধানের দাম না পাওয়ায় তাদেরকে তির সম্মুখীন হতে হয়েছে৷ চলতি আমন ধানে শেষ মুর্হুতে পানি সেচ বাবদ প্রচুর অর্থ ব্যয় হচ্ছে৷ আমন ধানের দাম না পেলে তাদের তির সম্মুখীন হতে হবে৷ অনেককূষক ধার দেনা করে েেত সেচ দেয়ার চেষ্টা করছেন৷
প্রতিবেদক মোফাজ্জল হোসেন, সম্পদনা আলীরাজ/ আরিফ

শেয়ার করুন