নিয়মশৃঙ্খলা না থাকায় এপর্াটমেন্ট বিক্রি প্রায় ৪৩ ভাগ কমেছে

0
153
Print Friendly, PDF & Email

রূপসীবাংলা নিউজ ঢাকা, ০৫অক্টোবর:
শনিবার থেকে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ৩ দিনব্যাপী রিহ্যাব হাউজিং ফেয়ার উপল েঅনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ৪ অক্টোবর রাতে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল) রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট নসরুল হামিদ এমপি বলেছেন, ‘রিয়েল এস্টেট সেক্টর যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে সে অনুযায়ী সরকারের সহায়তার দিগনত্ম প্রসারিত হয়নি৷ এজন্যে এ সেক্টরের নিয়ম-শৃঙ্খলা এখনও প্রতিষ্ঠিত করা যাচ্ছে না৷ ১০ হাজার টাকা ফি দিলেই রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের লাইসেন পাওয়া যাচ্ছে৷
এজন্যে আর কোন যোগ্যতার প্রয়োজন হচ্ছে না৷ সরকার দলীয় এমপি নসরুল হামিদ আরো বলেন, সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশে ভূমির দাম আকাশচুম্বি হয়েছে৷ ফলে এপার্টমেন্টের দামও বেড়েছে কয়েকগুণ৷ এর জের পড়েছে রিয়েল এস্টেট সেক্টরে৷ আগের বছরের তুলনায় গত বছর এপার্টমেন্ট এবং প্#৮৭২২;ট বিক্রি কমেছে ৪৩%৷ নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে গুলশান টেরেস পাটির্ঞ্চ হলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ‘এসএসবি মালিসার্ভিস ইনক’ নামক একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান৷ লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন রিহ্যাব ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুর রহিম খান৷ গত ৯ বছর যাবত নিউইয়র্কে রিহ্যাব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ এবারের ফেয়ার হবে বাংলাদেশী অধ্যুষিত এস্টোরিয়ার এনটিভি মিলনায়তনে৷
বাংলাদেশের সেরা ৪৫টি প্রতিষ্ঠান এ মেলায় এসেছে বলেও জানানো হয়৷ বাতর্া সংস্থা এনার প্রশ্নের জবাবে রিহ্যাব সভাপতি নসরুল হামিদ এমপি বলেন, বছরে ১৫ হাজার এপার্টমেন্ট এবং ৫ হাজার প্#৮৭২২;ট বিক্রি হচ্ছে রিহ্যাবের ১২০০ সদস্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে৷ ক্রেতার ১৫ভাগ হলেন প্রবাসীরা৷ তিনি উলেস্নখ করেন, মন্দার কারণে আমেরিকার ক্রেতা কমে যাচ্ছে৷ তিনি বলেন, রিহ্যাব শুধু ব্যবসায়ী সংস্থাই নয়, মানবিক সেবামূলক প্রকলও গ্রহণ করছে প্রতি বছর৷ এটি করা হচ্ছে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে৷ তিনি বলেন, জমির মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা রোধ এবং পরিকলিত নগরী গড়তে হলে সারাদেশকে ‘ডিটেইল এরিয়া মাস্টার প্#৮ে;৭২২;ন’র আওতায় আনতে হবে৷ অপর এক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, হাউজিং সেক্টরে অনিয়ম-প্রতারণা বন্ধের জন্যে ক্রমান্বয়ে আইন হচ্ছে৷ ২০১০ সালের আইন অনুযায়ী, প্রতারকদের সর্বোচ ১০ বছর পর্যনত্ম কারাদন্ড এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান৷ তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত আমরা ক্রেতার কাছে অভিযোগ পাচ্ছি এবং সাথে সাথে অভিযুক্তদের নোটিশ দিচ্ছি৷ অনেকে সাড়া দেন৷ কেউ কেউ আমাদের পাত্তা দেন না৷ রিহ্যাবের এমন কোন মতা নেই যে কাউকে ধরে জেলে দেয়া যায়৷ আমরা শুধুমাত্র আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিকির নিষত্তির চেষ্টা করি৷ এ বছরও ৮০০ অভিযোগ পেয়েছি৷ অপর এক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ আরো বলেন, রাজউকও বর্তমানে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে৷ ফলে তাদের মূল কাজ ব্যাহত হচ্ছে৷
একইভাবে রিহ্যাব সদস্যরা প্রত্যাশিত সার্ভিস পাচ্ছে না রাজউকের কাছে৷ যেখানে ১০০ অফিসার প্রয়োজন, সেখানে রাজউকের রযেছে মাত্র ৬ জন৷ সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব ফেয়ারে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন কর্মকতর্াও উপস্থিত ছিলেন৷
নিউজরুম

শেয়ার করুন